Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
Home » রূপচর্চা » ব্রণের সমস্যা আর না

ব্রণের সমস্যা আর না

সাধারণত ব্রণ প্রথম দেখা দেয় বয়ঃসন্ধির সময়। ছেলেদের ১৬ থেকে ১৯ বছর বয়সে ও মেয়েদের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এছাড়াও যেকোনো বয়সেই তা হতে পারে। ৮০ শতাংশের ক্ষেত্রে ২০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময় থেকে ব্রণ হওয়ার হার কমে যেতে থাকে। অনেকের ৩০-৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থেকেই যায়। ব্রণ সাধারণত মুখে দেখা গেলেও পিঠে, ঘাড়ে ও বুকেও হতে পারে।

ব্রণ সারাতে অনেককে নানান চিকিৎসার দ্বারস্থ হতে দেখা যায়। আজ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্রণ দূর করার উপায় জানাবো। তবে, ভয়ের কারণ নেই। কারণ, ঘরোয়া পদ্ধতিতে পুরো মুখে প্যাক লাগিয়ে বসে থাকতে হবে না। শুধু মাত্র আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করলেই মুক্তি মিলবে এবং উপাদানগুলোও আমাদের পরিচিত। তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নেই…

মধু:

বিভিন্ন রকম ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করতে পারে মধু। এক চা চামচ খাঁটি মধুতে অল্প তুলো ডুবিয়ে ব্রণর উপরে লাগিয়ে রেখে দিন। আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। দিনে কয়েকবার লাগালেই ব্রণের দাপট কমে যাবে।

চন্দন: ব্রণ দূর করতে চন্দনগুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপজলে বা সাধারণ পানিতে চন্দনগুঁড়ো গুলে ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে তা ব্রণের উপরে লাগিয়ে রাখুন। সঙ্গে সঙ্গে শীতলতার অনুভূতি হবে। এরপর শুকাতে দিন। শুকিয়ে টান ধরলে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

নিমপাতা গোলাপজল: নিমপাতা খুবই ভালো অ্যান্টিসেপটিক আর গোলাপজল ত্বক স্নিগ্ধ আর সতেজ রাখে। পাতাসহ গোটা পাঁচেক নিমের ডাল ভেঙে নিন। পাতাগুলো ধুয়ে পানিতে মিনিট দুয়েক ফোটান। তারপর পানি থেকে পাতা তুলে মিক্সিতে বা শিলে বেটে নিন। এবার পাতা বাটায় দুই চাচামচ পরিমাণ গোলাপজল মেশান। এই মিশ্রণটা ব্রণের উপরে লাগিয়ে শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ দ্রুত শুকাবে, ব্যথাও কমবে।

লেবু পানি: লেবুর ভিটামিন সি ব্রণ কমাতে দারুণ ভালো কাজ করে। দু’টি লেবু চিপে রস বের করে নিন। এই রসে দু’চামচ পানি মেশান। মিশ্রণে তুলো ভিজিয়ে ব্রণর উপরে লাগিয়ে দিন। খুব দ্রুত ব্রণ শুকিয়ে যাবে। তবে সেনসিটিভ ত্বক হলে লেবুর রস এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ লেবুর রস থেকে সেনসিটিভ ত্বকে জ্বালা করতে পারে। একান্তই মাখলে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার আর সানস্ক্রিন লাগিয়ে নেবেন।

হলুদ ও তুলসি: এই দুটি উপাদান দিয়েই বানিয়ে নিন ব্রণের ওষুধ। কাঁচা হলুদ দু’চামচ পরিমাণ বেটে নিন। একইভাবে বিশ-পঁচিশটা তুলসি পাতা ভালো করে ধুয়ে বাটুন। তুলসি পাতা বাটা আর কাঁচা হলুদ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে ব্রণের উপরে লাগিয়ে রাখুন, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলবেন। প্রতিদিন তিনবার করে লাগাতে হবে। সারাদিনের জন্য একবারে বানিয়ে কৌটোয় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন।

Comments

comments

Leave a Reply

x

আপনার জন্য নির্বাচিত পোস্ট

https://lifestylecampus24.com/

শীতে গ্লিসারিন ব্যবহারের নিয়ম

প্রচন্ড কনকনে শীতে আমাদের ত্বক বেশ রুক্ষ হয়ে যায়। এমনটা হলে যে কোনো কাজেই মন ...

error: Content is protected !!