Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
Home » গৃহসজ্জা » ঘরের দেয়ালে নকশা আঁকি

ঘরের দেয়ালে নকশা আঁকি

ঘরের দেয়াল সাজানোর অনেক পদ্ধতি আছে। আপনি চাইলে পেরেক ঠুকে ছবি টাঙিয়ে কিংবা শোপিস ঝুলিয়েও দেয়ালের সৌন্দর্য বাড়াতে পারেন। অনেকে আবার আঠা দিয়ে লাগিয়ে নেন রঙিন ওয়ালপেপার। চাইলে রংতুলির সহায়তায় এঁকে নিতে পারেন ঘরের দেয়াল। খুব বেশি বড় করে নয়, বরং মজার মজার ছোট কিছু আঁকিবুঁকি। অবহেলার জায়গাগুলোতেই আঁকতে পারেন। সুইচ বোর্ডের ওপরে কিংবা ছাদের রং চটে যাওয়া দরজায়। একরঙা আর একঘেয়ে সাদামাটা জায়গায় চলে আসবে আনকোরা বৈচিত্র্য।

আপনি ঠিক দেয়ালের যেখানটায় টেলিভিশন রেখেছেন তার আশে-পাশের দেয়াল এঁকে ফেলতে পারেন। কারণ, সেই দেয়াল সবার চোখে বেশি পড়ে। ঘরের অন্য রুমের যে দেয়ালে তুলনামূলক আসবাবপত্র কম থাকে, এমন দেয়াল বেছে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনার শোবার ঘরে খাটের মাথার অংশের দেয়ালকেও বেছে নেওয়া যেতে পারে এ ক্ষেত্রে। আঁকানো দেয়ালে আলোর ব্যবহার করতে পারলে খুব ভালো। দেয়ালে যদি আলোর ব্যবস্থা না থাকে তবে ল্যাম্পশেড দিয়ে আলোর ব্যবস্থা আঁকা দেয়ালের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যাবে। যে দেয়াল প্রায় ফাঁকা থাকে, সেখানে শুধুই এঁকে ফেললে দেখতে ভালো লাগবে না। দেয়ালে মানিয়ে যায় এমন কিছু উপাদান পাশাপাশি রাখলে দেখতে ভালো লাগবে।

অনেকেই বিষয়টি নিয়ে একটু টেনশনে পড়ে যান। এক্ষেত্রে দেয়ালে এঁকে ফেলার জন্য আপনার নিজস্ব ভাবনাটাই যথেষ্ট। এঁকে ফেলতে পারেন গাছ। সেই গাছে আঁকা যেতে পারে ল্যাম্পপোস্ট নয়তো খোলা জানালা। ইচ্ছেমতো ফুটিয়ে তোলা যেতে পারে যেকোনো জ্যামিতিক নকশাও।

এবার আসি ছাদবাগানে। এখানে অনায়াসেই এঁকে ফেলা যায় বাঁশবাগানের ছবি। সেখানে মাছ চাষ করলে কোনো জলজ ফুলের বা নদীতলের আবহ ফুটিয়ে তুললে জায়গাটি হয়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দন। শিশুদের ঘরে মাছ, ডলফিন কিংবা শিশুরা পছন্দ করে এমন যেকোনো ছবি আঁকলে ওদের মন থাকবে ফুরফুরে। ক্যানভাস হিসেবে বেছে নেওয়া যায় সুইচ বোর্ড। প্রতিদিন সুইচ বোর্ডে হাত রেখে পাখা, বাতি জ্বালানো, মুঠোফোন চার্জ দেওয়ার কাজগুলো করতে হয়। সেই সুইচ বোর্ডের ওপর, পাশ কিংবা নিচের খালি দেয়ালে ইচ্ছেমতো নকশা ফুটিয়ে তোলা যায় অন্দরসাজে।

কি ধরনের রং বেছে নেবেন। দেয়াল আঁকতে চাইলে যেকোনো রংকেই বেছে নেওয়া যায়। যেকোনো রঙের দেয়ালে কালো রং ফুটে উঠবে। সঙ্গে নাহয় থাকল পছন্দমতো লাল, সবুজ, হলুদ, গোলাপি কিংবা অন্য কোনো রং। প্রথমে দেয়ালে পেনসিল দিয়ে হালকাভাবে ছবিটি এঁকে নিতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে রং করে নিন। একাধিক রং ব্যবহার করতে চাইলে আগে অন্য রং দিয়ে ভরাট করার কাজ করে নিয়ে তারপর মূল ছবিটি কালো বা অন্য কোনো গাঢ় রং লাগবে।

আঁকার হাত যদি একটু ভালো থাকে আর রঙের ব্যবহার সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকলেই রংতুলি নিয়ে বসে পড়া যায়। তবে মনে রাখতে হবে রঙের সঙ্গে মিডিয়া হিসেবে অন্য কিছু মিলিয়ে পাতলা না করাই ভালো, তাতে রং দেয়াল গড়িয়ে পড়ে যেতে পারে।

তবে, দেয়ালে নিজে আঁকতে না চাইলে পেশাদার কারো হাত দিয়েও এঁকে নিতে পারেন আপনার ঘরের দেয়াল। বার্জার, এশিয়ান পেইন্টের যেকোনো শাখায় যোগাযোগ করলে তাদের নিজস্ব কর্মী বাসায় এসে কাজটি করে দেবেন। এছাড়াও আশপাশের যেকোনো রঙের দোকানে খোঁজ করলে তারাও জানাতে পারবে দেয়াল আঁকিয়ের সন্ধান।

Comments

comments

Leave a Reply

x

আপনার জন্য নির্বাচিত পোস্ট

ডিমের খোসা ফেলে দিচ্ছেন নাতো?

ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে সচরাচর যে খাবারটি সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয়, তা হলো ডিম। মাছ-মাংসের চেয়ে ...

error: Content is protected !!